স্থানীয় মানুষের চাহিদা বুঝে, তাদের ভাষায় কথা বলে এবং তাদের বিশ্বাস অর্জন করে আমরা এগিয়ে চলেছি। jitbuz শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি কোটি মানুষের বিনোদনের সঙ্গী।
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দময় অনলাইন গেমিং পরিবেশ দেওয়া। আমরা চাই প্রতিটি সদস্য জানুক যে এখানে তার টাকা ও তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। বিনোদনটা হোক চিন্তামুক্ত।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারীবান্ধব অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা। প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা ও মানুষের প্রতি সততাকে কেন্দ্রে রেখে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং ও স্পোর্টস বেটিংয়ের জগতটা বছর দশেক আগেও এতটা পরিচিত ছিল না। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইন্টারফেস বোঝা যেত না, বাংলায় কোনো সাপোর্ট ছিল না, আর টাকা জমা বা তোলার পদ্ধতি ছিল জটিল। এই সমস্যাগুলো দেখেই jitbuz-এর জন্ম।
একটা ছোট দল মিলে স্বপ্ন দেখেছিল – বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলায়, তাদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে একটি পূর্ণাঙ্গ গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। সেই স্বপ্ন থেকেই jitbuz-এর যাত্রা শুরু। শুরুতে হাতে গোনা কয়েকশো সদস্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। আজ সেই সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
বিকাশ, নগদ, রকেট – এই পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো বাংলাদেশের মানুষের জীবনের অংশ। jitbuz শুরু থেকেই এই পদ্ধতিগুলো যুক্ত করেছে যাতে কেউ টাকা জমা বা তোলার জন্য ঝামেলায় না পড়েন। মোবাইল ডেটা কম খরচে ব্যবহার করা যায় এমন লাইটওয়েট ইন্টারফেস তৈরি করা হয়েছে। ঢাকা থেকে সিলেট, চট্টগ্রাম থেকে রংপুর – দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যাতে নির্ভরবাবে অ্যাক্সেস করা যায়, সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে।
jitbuz-এর কাস্টমার সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে। রাত দুইটায় কোনো সমস্যা হলেও চ্যাটে লিখলে উত্তর পাওয়া যায়। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো মানুষের বিশ্বাস তৈরি করে, আর সেই বিশ্বাসই jitbuz-কে এতদূর নিয়ে এসেছে।
বাংলাদেশে ক্রিকেট মানে শুধু খেলা নয়, এটা একটা আবেগ। BPL, জাতীয় দলের ম্যাচ, IPL – এই সব ইভেন্টে jitbuz সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী সক্রিয় থাকেন। তাই আমরা ক্রিকেট বেটিং মার্কেটে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছি। বল-বাই-বল আপডেট, রিয়েল-টাইম অডস, লাইভ স্কোর – সব কিছু একটা জায়গায় পাওয়া যায়।
ফুটবলেও jitbuz-এর ব্যবহারকারীরা কম নন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে স্থানীয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ পর্যন্ত শত শত ম্যাচের অডস পাওয়া যায়। কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, টেনিস – ৩০টিরও বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে প্রতিদিন ৫০০-এর বেশি ইভেন্ট থাকে।
jitbuz-এ প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সহজ কিন্তু শক্তিশালী, যাতে প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্ট থেকে সবাই সুরক্ষিত থাকেন। উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এবং স্বচ্ছ – কত সময় লাগবে সেটা আগে থেকেই জানানো থাকে।
দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের কাছে নিছক নিয়ম নয়। আমরা বিশ্বাস করি যে বিনোদন কখনো বোঝা হওয়া উচিত নয়। তাই ডিপোজিট লিমিট, স্ব-বিরতি ও সেলফ-এক্সক্লুশনের মতো টুল আমাদের প্ল্যাটফর্মে সহজেই পাওয়া যায়।
ইন্টারফেস থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট পর্যন্ত সব কিছু বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই, jitbuz সম্পূর্ণ আপনার ভাষায়।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। jitbuz-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইলের জন্য অপটিমাইজড, কম ডেটায় দ্রুত লোড হয়।
বিকাশ, নগদ, রকেট, ব্যাংক ট্রান্সফার – সব পরিচিত পদ্ধতিতে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল করা যায়। বিদেশি কার্ডের ঝামেলা নেই।
SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন ও উন্নত ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সুরক্ষিত রাখা হয়।
জিতলে টাকা আটকে থাকে না। ভিআইপি সদস্যরা মাত্র ৫ মিনিটে টাকা পান। সাধারণ সদস্যদের জন্যও প্রক্রিয়া দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত।
jitbuz-এর অডস বাজারে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক। কোনো লুকানো চার্জ নেই, নিয়মকানুন স্পষ্ট বাংলায় লেখা, কোনো ধোঁকাবাজি নেই।
প্রতিটি প্রতিশ্রুতি আমরা রাখি।
সব নিয়ম পরিষ্কারভাবে জানানো হয়।
আপনার তথ্য ও অর্থ সবার আগে।
প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছি আমরা।
সুস্থ গেমিং সংস্কৃতি গড়ি।
আপনার সুবিধাই আমাদের লক্ষ্য।
প্রতিটি মাইলফলক আমাদের কাছে একটা শিক্ষা ছিল। ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া শুনে, ভুল শুধরে এবং ক্রমাগত উন্নত হয়ে আমরা আজকের jitbuz হয়েছি।
একটি ছোট দল নিয়ে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য প্রথম বাংলা গেমিং প্ল্যাটফর্ম চালু হয়। প্রথম মাসে পাঁচশো সদস্য যোগ দেন।
Android অ্যাপ চালু হওয়ার পর ব্যবহারকারী সংখ্যা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট যুক্ত হয়।
রিয়েল-টাইম স্পোর্টস বেটিং ও লাইভ ক্যাসিনো গেম চালু হয়। সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়।
চার স্তরের ভিআইপি মেম্বারশিপ প্রোগ্রাম চালু হয়। ডেডিকেটেড সাপোর্ট ও ব্যক্তিগতকৃত বোনাস সিস্টেম শুরু হয়।
পাঁচ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করে jitbuz। নতুন স্পোর্টস ক্যাটাগরি ও পেমেন্ট অপশন যুক্ত হয়।
আমাদের দলে আছেন প্রযুক্তিবিদ, ডিজাইনার, স্পোর্টস বিশ্লেষক ও গ্রাহকসেবা বিশেষজ্ঞরা – সবাই মিলে একটাই লক্ষ্যে কাজ করছেন।
ডিজিটাল গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ১০+ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের গেমিং বাজার গড়ে তোলার স্বপ্নদ্রষ্টা।
প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করার দায়িত্বে। সাইবার নিরাপত্তায় বিশেষজ্ঞ।
ক্রিকেট ও ফুটবলের উপর গভীর জ্ঞান। jitbuz-এর অডস তৈরির মূল কারিগর।
২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট টিমের নেতৃত্ব দেন। ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টি নিশ্চিত করাই তাঁর কাজ।
পাঁচ লক্ষেরও বেশি সদস্য ইতোমধ্যে jitbuz-এর উপর ভরসা রাখছেন। আপনিও যোগ দিন, বিনোদন উপভোগ করুন নিরাপদে।